যখন কংসকে বধ করার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনের গলি দিয়ে যাচ্ছিল মথুরার দিকে,তখন শেষবারের মতো রাধার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলো শ্রীকৃষ্ণ। রাধারানী শ্রীকৃষ্ণ কে দেখে কান্নাই ভেঙে পড়লো।রাধারানী বলতে লাগলো কৃষ্ণ তুমি তো আর ফিরে আসবেনা বৃন্দাবনে। আমায় কার ভরসায় ছেড়ে যাচ্ছো,আমি এখানে একা কী করবো? আমাকে তোমার সাথে করে নিয়ে চলো।
রাধারানী বলল কৃষ্ণ আমিও এখানে আছি তুমি এখানে আছো--আমাকে তোমার অর্ধাঙ্গিনী বানিয়ে তোমার সঙ্গে করে নিয়ে চলো মথুরা।আমার সিথিতে সিঁদুর দিয়ে বিবাহ সম্পূন্ন করো।
এই কথা শুনে শ্রীকৃষ্ণ তার দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়িয়ে পড়লো। কৃষ্ণের এইভাবে পিছন ঘুরে দাঁড়িয়ে যাওয়ার জন্য রাধারানী কান্নায় ভেঙে পড়লে,তার মন ভেঙে গেল, দুচোখ ভোরে জল ঝরতে লাগলো। রাধারানী কাঁদতে কাঁদতে কৃষ্ণ কে বললো-আমার ভালবাসাকে বিবাহে পরিণত করতে বলে কি আমি কোনো ভুল করেছি কৃষ্ণ?
রাধারানী কাঁদতে কাঁদতে কৃষ্ণকে বলল আমাকে ক্ষমা করো, একবার দেখতো আমার দিকে, আমার দিকে একটিবারের জন্য ঘুরে তাকাও কৃষ্ণ।
কৃষ্ণ তখন রাধার দিকে ঘুরে তাকায়। তখন রাধা দেখে ও কৃষ্ণ নয়, ওর পা থেকে মাথা পর্যন্ত রাধাই হয়ে গেছে।
তখন কৃষ্ণ বলে রাধাকে রাধা বিবাহের জন্য দুটো আত্মার প্রয়োজন। আমি আর তুমি তো দুটো আত্মা নই। একজনি, তাহলে আমি কাকে বিবাহ করবো, নিজেকে নিজেই।
ভালবাসতে হলে রাধা কৃষ্ণের মতো ভালোবাসো, যেখানে আত্মা এক হয়ে যায়।
জয় শ্রী রাধে কৃষ্ণ
.jpeg)