হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগতপতে
গোপেশ ,গোপিকাকান্ত ,রাধাকান্ত নমঃস্তুতে।
হে কৃষ্ণ !! তুমি করুণার সিন্ধু, তুমি দীনের বন্ধু।। তুমি সমস্ত জগতের পিতা।। তুমি গোপিকাদের ঈশ্বর, তুমি রাধারানীর প্রেমাস্পদ।। তোমাকেই সশ্রদ্ধ প্রনাম নিবেদন করছি।।
যেখানে জন্ম আছে, সেখানে মৃত্যু ও আছে। মৃত্যুকে যদি রোধ করা যায়, তবে জন্মও থাকবে না। আর জন্ম না থাকলে রোগ থাকবে না, জরাও থাকবে না। এটিই প্রক্রিয়া। মৃত্যুকে জয় করা মানে এই নয় যে, এ জীবনে মৃত্যু হবে না, বরং আত্মা আর কোনো জড় দেহ ধারণ করবে না।
যদি কোন জড় দেহ না থাকে, তবে মৃত্যু হবে না। জড় দেহ পাঁচটি স্থূল উপাদান দিয়ে তৈরি, যা কালক্রমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এ কারনেই এ দেহটির জন্মও মৃত্যু হয়ে থাকে। যদি কেউ শ্রী কৃষ্ণপ্রেমভক্তি তে তন্ময় হয়ে এ জড়জগৎ থেকে মুক্তি লাভকরে চিজ্জগতে উন্নীত হয়, তবে সেখানে গিয়ে সে চিন্ময় শরীর লাভ করে। চিন্ময় জগৎ যেহেতু কাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং দেহটি যেহেতু জড় উপাদান দিয়ে তৈরি নয়, তাই সেখানে মৃত্যুর কোনো প্রশ্নই আসে না। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাই বলেছেন, নিত্য লীলাধামে গেলে কাউকে প্রত্যাবর্তন করতে হয় না।