সবাই ঈশ্বরকে খুঁজছে কিন্তু অনেকেই জানে না জীব ঈশ্বরের কনা আত্মা পরমাত্মাকে খুঁজছে। ঈশ্বরই ব্রহ্ম। যিনি ব্রহ্মবিদ , ব্রহ্মজ্ঞ তিনিই পরমব্রহ্মকে জানেন। অর্থাৎ যিনি সনাতন ধর্মের দর্শন তত্ত্বত জেনেছেন , তিনিই পরমব্রহ্মকে জেনেছেন । কেননা আত্মা হল সেই পরমপুরুষ পরমাত্মার প্রকাশ ।
ঋকবেদ বলছে — ব্রহ্ম হলেন সত্যজ্ঞান , অনন্তস্বরূপ । তিনি নিত্যসত্য , কোন অবস্থাই তাঁর স্বরূপকে পরিবর্তন করতে পারে না । অনন্তকাল ধরে তিনি একই আছেন , আবার একই থাকবেন । তিনি জ্ঞানস্বরূপ অর্থাৎ জ্ঞানময় , জ্ঞানসত্তা । আবার তিনি অনন্ত অফুরন্ত অসীম , তিনি সীমাহীন। দেশ - কাল তাঁর কোন কূল - কিনারা খুঁজে পায় না ।
হিন্দু সনাতন ধর্মের গ্রন্থ তার সন্ধান বলে দিচ্ছেন । তিনি অসীম হলেও নিজেকে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম করে মানুষের মধ্যে যে বুদ্ধিরূপ গুহা আছে , তার ভেতরে আত্মগোপন করে আছেন ।
আমাদের মাথার ওপর ইন্দ্রিয়গোচর যে অসীম আকাশ , ঐ আকাশ মানুষের শরীরের ভেতরেও আছে —তা হৃদয় যা দেহের পবিত্র স্থান। তাঁকে জানার জন্য একনিষ্ঠ হলে তিনি অর্থাৎ সেই জ্যোতির্ময় পরমপুরুষ সূর্যোদয়ের মত বুদ্ধি - গুহা থেকে উঠে এসে দেখা দেন হৃদয়াকাশে । আর যখন দেখা দেন তখন কামনা - বাসনা ত্যাগ করে দ্রষ্টা বা মানুষ আনন্দময় সত্তা হয়ে যান ।
তখন ভক্ত উপলব্ধি করে , অনুভব করে যে আলাদাভাবে তার আর চাওয়া - পাওয়ার কিছু নেই । তখন তার একমাত্র কামনা থাকে যে এই ব্রহ্ম - উপলব্ধির সঙ্গে তার যেন কখনো ছাড়াছাড়ি না হয়।। ওঁ তৎ সৎ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।।জয় সনাতন ধর্ম।।