এ সম্পর্ক বুঝতে গেলে প্রথমে জ্ঞানযোগ কি? এবং কর্মযোগ কি? তা ভালো ভাবে জানতে হবে তবেই এর মধ্যে কোনটি শ্রেষ্ঠ বা দুটিই সমান কি না, তা সঠিক ভাবে বুঝতে পারা যাবে।
কর্ম না করলে আমাদের জীবন যাপন চলবে না। সুতরাং যারা সর্বদা কর্মেরত রয়েছেন এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংসারের বোঝা বইছেন (এর ফলে পূজা ধ্যান জপ্ আরাধনা করার সময় পান না।) তারাও কর্ম করে এক প্রকার যোগ সাধনা করছেন। যাকে বলা হয় কর্মযোগ।
আর যারা সর্বদা ভগবানের পূজা ধ্যান জপ্ ও আরাধনা করছেন ও মানুষকে সুপথে চালনা করতে চেষ্টা করছেন তারাও এক প্রকার যোগ সাধনা করছেন। যাকে বলা হয় জ্ঞানযোগ।
এ সম্পর্কে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার উপদেশ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাতে বলেছেন: হে অর্জুন! অজ্ঞান ব্যক্তিরা জ্ঞানযোগ ও কর্মযোগকে পৃথক্ বলিয়া থাকেন। কিন্তু পন্ডিতেরা তা বলেন না। এই দুইটির মধ্যে যে কোনো একটিকে ভালো ভাবে ধরিয়া চলিলে দুইয়েরই ফল পাওয়া যায়।।৪।।
জ্ঞানীরা জ্ঞানের পথে চলিয়া যে স্থানে উপস্থিত হন, কর্মযোগীরা কর্মের পথে চলিয়াও সেইখানেই যাইতে পারেন।
তাই জ্ঞানযোগ ও কর্মযোগকে যিনি একই রকম বলিয়া মনে করেন, তিনিই প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি।।৫।।