ভগবদগীতা অনুসারে জীবনের প্রকৃত সাফল্য হল মৃত্যুর সময় পরমেশ্বর ভগবানকে স্মরণ করা। মৃত্যুই হচ্ছে চূড়ান্ত পরীক্ষা । আমাদের অভিজ্ঞতা আছে কলেজের একটা পরীক্ষার জন্য সঠিক প্রস্তুতি নিতে হয় ; কারণ পরীক্ষায় পাশ অথবা ফেল করার উপর ভিত্তি করে কারো জীবন বৃত্তি গড়ে উঠতে বা ধূলিসাৎ হতে পারে । তাই একজন ছাত্রকে দৃঢ়তার সাথে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় ।
কিন্তু এসব পরীক্ষা আমাদের জীবনে বার বার আসে আর গত হয় । এমনকি আমরা যদি সমস্ত পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও অর্জন করি কিন্তু মৃত্যুকালে ঈশ্বরকে স্মরণ করতে ব্যর্থ হই , তবে জাগতিক সবকিছু আমরা হারাব এবং আধ্যাত্মিকভাবেও আমাদের অর্জন থাকবে শূন্যের কোটায় ।
ভক্তরা কখনো সাফল্য বা ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তা করেন না । তিনি সর্বদাই গুরুদেব এবং কৃষ্ণের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য চেষ্টা করেন । এখানেই অন্তনিহিত রয়েছে প্রকৃত সাফল্য ।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন ,
“অন্তকালে চ মামেব স্মরনমুক্তা কলেবরম,
যঃ প্ৰয়াতি স মদ্ভাবং যাতি নাস্ত্যত্র সংশয়।
অনুবাদ: মৃত্যুর সময়ে যিনি আমাকে স্মরণ করে দেহত্যাগ করেন , তিনি তৎক্ষণাৎ আমার ভাবই প্রাপ্ত হন । এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।" । ৮/৫ ।
চেতনায় অধিষ্ঠিত হতে না পারি তবে আমাদের এই মনুষ্য জন্ম বৃথা । সর্বদা কৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে পারি ?
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুরূপে অবতরণ করে সরল এই শিক্ষা দিয়েছেন
▪️ভক্তসঙ্গ করা ।
▪️নিয়মিত বেদ, উপনিষদ, ভগবদগীতা , শ্রীমদ্ভাগবতম এবং অন্যান্য শাস্ত্রগ্রন্থ পাঠ করা ।
▪️ সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী পন্থা হচ্ছে ভগবানের দিব্যনাম কীর্তন করা,
“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।
কিন্তু এসব পরীক্ষা আমাদের জীবনে বার বার আসে আর গত হয় । এমনকি আমরা যদি সমস্ত পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও অর্জন করি কিন্তু মৃত্যুকালে ঈশ্বরকে স্মরণ করতে ব্যর্থ হই , তবে জাগতিক সবকিছু আমরা হারাব এবং আধ্যাত্মিকভাবেও আমাদের অর্জন থাকবে শূন্যের কোটায় ।
ভক্তরা কখনো সাফল্য বা ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তা করেন না । তিনি সর্বদাই গুরুদেব এবং কৃষ্ণের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য চেষ্টা করেন । এখানেই অন্তনিহিত রয়েছে প্রকৃত সাফল্য ।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন ,
“অন্তকালে চ মামেব স্মরনমুক্তা কলেবরম,
যঃ প্ৰয়াতি স মদ্ভাবং যাতি নাস্ত্যত্র সংশয়।
অনুবাদ: মৃত্যুর সময়ে যিনি আমাকে স্মরণ করে দেহত্যাগ করেন , তিনি তৎক্ষণাৎ আমার ভাবই প্রাপ্ত হন । এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।" । ৮/৫ ।
চেতনায় অধিষ্ঠিত হতে না পারি তবে আমাদের এই মনুষ্য জন্ম বৃথা । সর্বদা কৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে পারি ?
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুরূপে অবতরণ করে সরল এই শিক্ষা দিয়েছেন
▪️ভক্তসঙ্গ করা ।
▪️নিয়মিত বেদ, উপনিষদ, ভগবদগীতা , শ্রীমদ্ভাগবতম এবং অন্যান্য শাস্ত্রগ্রন্থ পাঠ করা ।
▪️ সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী পন্থা হচ্ছে ভগবানের দিব্যনাম কীর্তন করা,
“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।